দুই যুগেও উন্নয়ননের ছুঁয়া লাগেনি রাউৎগাঁওয়ের আব্দুলপুর টু জনতাবাজারের রাস্তার

দুই যুগেও উন্নয়ননের ছুঁয়া লাগেনি রাউৎগাঁওয়ের আব্দুলপুর টু জনতাবাজারের রাস্তার

স্টাফ রিপোর্টারঃ  

কুলাউড়া উপজেলা রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে যাওয়া আব্দুলপুর ও একিদত্তপুর গ্রামের মানুষের যাতায়াতের প্রধান রাস্তাটি দীর্ঘ দুই যুগেও কোন উন্নয়ন বা সংস্কার ছুঁয়া লাগেনি আজো। শত শত মানুষের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি বর্ষাকাল এলে দেখলে মনে হয় হাল চাষের। উর্বর জমি। আব্দুলপুরের এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন জনতা বাজার,কবিরাজি, মুকুন্দপুর ও প্রতাবী সহ ৫ গ্রামের মানুষ সহজেই যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়াও আশেপাশে অবস্থিত চারটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে শত শত কোমলমতি ছাত্র- ছাত্রীরা লেখাপড়ার উদ্যেশে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। কিন্তু জনসাধারণের চলাচলের এই কাচা রাস্তাটি বর্ষা মৌসুম এলেই একবারে অনুউপযোগী হয়ে উটে। বর্তমানে এই রাস্তাটি একবারে কাদাযুক্ত হওয়ায় এলাকার মানুষজন চলাচলে চরম দূর্ভগ্য পোহাতে হচ্ছেন। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আবুল মিয়া, রমজান আলী,রমিজ আলী,সেলিম মিয়া, জুবের আহমদ,স্বপন আহমেদ হৃদয় ও জাহেদ আহমেদ বলেন, তাদের গ্রামটি সরকারের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। অবহেলিত এই গ্রামের রাস্তাঘাট কয়েকযুগ থেকে অবেহেলিত হিসেবে পড়ে আছে। কিন্তু রাস্তাটির উন্নয়নের জন্য কোন জনপ্রতিনিধির চোখে পড়ে না। শাহিন মিয়া নামে আরেক স্থানীয় ব্যাক্তি বলেন নির্বাচনের সময় আসলে সবাই আশ্বাস দেন রাস্তাটি সংস্কার করে দিবেন কিন্তু নির্বাচন চলে গেলেই কারো আর দেখা মিলে না। আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সংস্কার করে থাকি। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটির অবস্থা বেহাল হয়ে যাওয়ায় চরম কষ্টে পড়তে হয় এলাকার মানুষদেরকে। এলাকাবাসী এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ উদ্দ্বতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন। এ ব্যাপারে রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সেলিম আহমদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই রাস্তাটি পাঁকাকরনের জন্য অনেক আগে থেকেই উদেগ্যো নেওয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে বরাদ্দ আসলেই এই রাস্তার কাজ শুরু করা হবে। রাউৎগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জামাল বলেন, ইউনিয়নের ছোটবড় অনেল রাস্তাঘাট কার্পেটিং হয়ে গেছে এই রাস্তাটি ও পর্যায়ক্রমে পাঁকাকরন হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *