পর্যটক কে হাত ছানি দিয়ে ডাকছে এরাল বিলের শাপলা ফুল

পর্যটক কে হাত ছানি দিয়ে ডাকছে এরাল বিলের শাপলা ফুল

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ:: বলছিলাম গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া ইউনিয়ন ও ২ নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন এর প্রায় ২০ একর জমি নিয়ে অবস্থিথিত এরাল বিলের কথা। এ বিলে প্রতি বছর শীত মৌসুমে লাল ও সাদা রং এর হাজার হাজার শাপলা ফুল ফুটে। এরাল বিলের এই অপূর্ব মনও মুগ্ধ কর সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরা আসেন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত। পর্যটকরা কেউ বলেন শীতের সকালে কুয়াশায় সূর্যের মৃধূ আলো পেয়ে রাতে ফুটে থাকা শাপলা ফুল গুলো ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে এবং মনে হচ্ছে হাত ছানি দিয়ে ডাকছে পর্যটকদের। আবারও কেউ বলেন দুপুর বেলায় নৌকা নিয়ে বিলের পানিতে ঘুরে ঘুরে হাজারো শাপলা ফুলের মাঝে ছবি তোলে ভালো একটা ভিউ আসে ছবিতে। আর বলেন হারিয়ে যেতে বার বার ইচ্ছে করে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মাঝে। এদিকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানতে পারলাম ছোট বড় সব বয়েসের নারী, পুরুষ, ও শিশু আসেন এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে। দেশের এই মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে অনেকটাই কম আসছে পর্যটকরা এবছর তা মনে করেন এলাকাবাসী। কিন্তু তার পরে ও প্রতিনিয়ত আসেন প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকরা। কেউ কেউ বাড়ি যাওয়ার সময় শাপলা তোলে সঙ্গে নিয়েও যাচ্ছেন। শাপলা ফুল ফুটে থাকা সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে সূর্যের আলো প্রখর হয়ার আগে আগেই আসা ভালো। শাপলার মনও মুগ্ধ কর সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা সায়েক আহমদ জানান শাপলা দেখতে আর মেঘালয় জৈন্তিয়া রাজ্যের ডিবির হাওয়রে যাওয়া লাগবে না । গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া ইউনিয়নের এরাল বিলে আসলেই শাপলার সেই দৃষ্টি নন্দিত সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। উপজেলা প্রশাসন যদি এই হাওরটি দিকে নজর রাখে তাহলে আগামী দিনে হাওরটি বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যাবে। শাপলা বিল দেখতে আসা রুহিন ও সাদিক বলেন আমরা ডিবির হাওর পর্যটন করেছি গোলাপগঞ্জে ও যে এরকম ডিবির হাওর আছে আমরা আগে কখনো কল্পনা ও করিনি। আমরা মনে করি ধীরে ধীরে মেঘালয় রাজ্যের জৈন্তিয়া ডিবির হাওর এরমত আরও সুন্দর হয়ে উঠবে এরাল বিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *