দোয়ারাবাজারে পরকীয়ার জেরেই নুর আলমকে হত্যা।

দোয়ারাবাজারে পরকীয়ার জেরেই নুর আলমকে হত্যা।

সেলিম মাহবুব, ছাতকঃ
দোয়ারাবাজারে পশ্চিম বাংলাবাজারে একটি রেঁস্তোরা ব্যবসায়ী নুর আলম (১৮)কে
পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জেরেই হত্যার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া আসামী কামরুল ইসলাম সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বেলাল আহমদের আদালতে শনিবার বিকেলে স্বীকারোক্তি মূলক ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধি দিয়েছে। নিহত নুর আলম সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের দর্প গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। আসামী কামরুল ইসলাম (২১) উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের জিরারগাঁও গ্রামের গুলফর আলীর ছেলে। এই হত্যা মামলায় জিরারগাঁও গ্রামের আব্দুস সত্তারের ছেলে সুজন মিয়া (৪০)
তার স্ত্রী রুবিনা বেগম (২২), একই গ্রামের মমশর আলীর দুই ছেলে ওসমান গনি
(৩০) ও ওমর গনি (২৫)কে শনিবার আটকের পর গ্রেফতার দেখিয়ে রোববার
দুপুরে আদালতের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে নুর
আলমকে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার সকালে কামরুল ইসলামকে সিলেট শহরের
কদমতলী এলাকা থেকে অন্যদের লক্ষীপুর থেকে আটক করে থানা পুলিশ।
দোয়ারাবাজার থানার ওসি(বদলী) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, আসামী কামরুল আদালতে দেয়া তার জবানবন্ধিতে জানায়, আসামী সুজন মিয়ার স্ত্রী রুবিনা বেগমের সাথে নিহত ব্যবসায়ী নুর আলমের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের পরকীয়া সম্পর্ক ছিলো। স্ত্রীর সাথে নুর আলমের সম্পর্ক জানতে পেরে গত বৃহস্পতিবার রাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী নুর আলমকে তার রেস্তোরা থেকে ডেকে নিয়ে যায় কামরুল। পরে তাকে শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাত করায় নুর আলমের মৃত্যুর পর গ্রামের পাশে জমিতে তার লাশ ফেলে যায়। শুক্রবার সকালে গ্রামের পাশে জমি থেকে নূর আলমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নুর আলম হত্যার ঘটনায় শনিবার নিহতের বড় ভাই আব্দুল মজিদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *