শিরোনাম

» বন্ধ্যাত্ব কেন হয়?

প্রকাশিত: ২০. মার্চ. ২০১৯ | বুধবার

স্বাস্থ্য ডেস্ক:

চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে দুই বছর বা এর অধিক সময় কোনো ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছাড়া গর্ভধারণে ব্যর্থ হলে তাকে বন্ধ্যাত্ব হিসেবে ধরা হয়। সাধারণত প্রতি ১০০ জন দম্পতির মধ্যে ৮ জন বন্ধ্যাত্বের শিকার হন।

কোন পর্যয়ে চিকিৎসকের দারস্থ হবেন?

এক বছরের অধিক সময় কোনো ধরনের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছাড়া গর্ভধারণে ব্যর্থ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

বন্ধ্যাত্বের কারণ

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যে কোনও একজনের বা উভয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে গর্ভধারণ ব্যহত হয়। তাছাড়া গর্ভধারনের জন্য একটি সুস্থ্ ওভাম (ডিম) দরকার হয়। এছাড়া সবল বীর্য ও নরমাল ইউটেরাস বা জরায়ু গর্ভধারনের জন্য জরুরি। এর যেকোনো জায়গায় সমস্যা হলে গর্ভধারণে ব্যর্থতা দেখা দেয়।

সাধারণত বন্ধাত্ব্যের কারণগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হচ্ছে : এনুভলেশন (ডিম্বাশয় থেকে ওভাম বা ডিম নিঃসরণ না হওয়া ), জরায়ু বা ডিম্বনালীর সমস্যা এবং পুরুষ সঙ্গীর সমস্যা।

ডিম্বস্ফুটন না হওয়ার কিছু কারণ

ক. পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।
খ. হরমনের অস্বাভাবিক মাত্রায় নিঃসরণ।
গ. ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বা কম থাকা।
ঘ. প্রিমেচিউর ওভারিয়ান ফেইলিউর।
ঙ. অতিরিক্ত মানসিক চাপ।
চ. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ক্যান্সার কিংবা কিডনি রোগেও অভুলেশন ব্যাহত হতে পারে।
ছ. কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি সাময়িক বা পরোপুরিভাবে ওভারিকে অকার্যকর করে দিতে পারে।

জরায়ু বা ডিম্বনালীর সমস্যা

ক. জারায়ুর টিউমার। যেমন: এডিনোমায়োসিস, ফাইব্রয়েড বা পলিপ।
খ. পেলভিক ইনফ্লামেটরি ডিজিজ (পিআইডি) অথবা যেকোনো ইনফেকশনের কারণে ডিম্বনালী বন্ধ হয়ে ওভাম এবং শুক্রাণু নিষিক্তকরণের পথ বন্ধ করে দিতে পারে।
গ. এন্ডোমেত্রিওসিস বন্ধ্যাত্বের একটি পরিচিত কারণ। এ রোগের লক্ষণ মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, পেটে ব্যথা ইত্যাদি।
ঘ. ইনফেকশন বা এন্ডোমেত্রিওসিস জরায়ু এবং এর আশপাশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক এনাটমি নষ্ট করে বন্ধাত্ব্যের কারন ঘটায়।

পুরুষ ফ্যাক্টর

সাধারণত ৩০-৫০ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গীর সমস্যার কারণেই বন্ধ্যাত্ব হয়।

ক. শুক্রাণু বা বীর্য যথেষ্ট গতিশীল না হওয়াও বন্ধ্যত্বের কারণ। এছাড়া অস্বাভাবিক গঠনগত কারণেও বন্ধ্যাত্ব হয়।
খ. কোনো কারণে নতুন করে শুক্রাণু তৈরী হওয়া ব্যাহত হলে।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই গর্ভধারণের হার কমতে থাকে।

Share Button

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে ২৪ বার

Share Button

সর্বশেষ খবর

Flag Counter